Skip to content

শবে কদর রাতের গুরুত্ব ফজিলত স্ট্যাটাস ও উক্তি

  • by
লাইলাতুল কদর রাতের গুরুত্ব ফজিলত স্ট্যাটাস ও উক্তি

আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু পবিত্র সিয়াম সাধনার মাসের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের আমাদের এই মহামূল্যবান আর্টিকেলটি আজকের আর্টিকেলটি হতে চলেছে শবে কদরের রাত নিয়ে, এই রাত্রি মুসলিমদের মাঝে আল্লাহ তালা কেন হাজার মাসের চেয়ে উত্তম বলেছে আর শবে কদর রাত নিয়ে গুরুত্ব ও ফজিলত কেন এত বেশি। লাইলাতুল কদরের রাত নিয়ে অনেকেই আবার স্ট্যাটাস ও উক্তি অনলাইনে খুজে থাকে তাদেরকে বলব আপনারা এই আর্টিকেল থেকে লাইলাতুল কদরের রাত নিয়ে সম্পূর্ণ তথ্য পেয়ে যাবেন

লাইলাতুল কদর এমন একটি রাত যা আল্লাহ তাআলা নিজেই বান্দাদের উদ্দেশ্যে দিয়েছে আর এই রাত যার কপালে একবার নসিব হবে বা পাবে সে হাজার মাসের সওয়াব এক রাতেই হাসিল করে নিতে পারবে। তবে পবিত্র লাইলাতুল কদর হাদিস শরীফে এসেছে যে পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশকের বেজোর রাত্রি গুলোতে পবিত্র লাইলাতুল কদরের জন্য তাসবীহ  তাহলীল পরতে হবে, রাত জেগে তবে অনেক ইমাম হাদিস বিশারদগণ লাইলাতুল কদরের জন্য ২৭ শে রমজান কে  নিয়ে বলেছেন ২৭ শে রমজান এ লাইলাতুল কদর বেশি যায় তবে এই কথা বলা হয়েছে যে, পবিত্র রমজানের শেষ দশকে বিজোর রাত্রিগুলোতে আল্লাহ পাক যেকোনো দিন লাইলাতুল কদর আসতে পারে। তাই রমজানের শেষ দশকের প্রতিটি বেজোড় রাতগুলোতে সাওয়াব এর জন্য অর্থাৎ লাইলাতুল কদর পাওয়ার জন্য বিজোর রাত্রিগুলোতে আমাদের কে  রাত জেগে আল্লাহ তায়ালার তাসবি তাহলীল করতে হবে।

লাইলাতুল কদরের রাত কেন এত গুরুত্ব বেশি

লাইলাতুল কদর হচ্ছে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ ) এর উম্মতের জন্য অফার বললেও ভুল হবে না। এই রাত্রি যার কপালে একবার আল্লাহ তা’আলা কবুল করবে সে হাজার মাসের সওয়াব ওই রাত্রিতে তার আমলনামায় লিপিবদ্ধ করে দিবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তবে লাইলাতুল কদর যেভাবে আসলো, হঠাৎ একদিন এক সাহাবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলো হে আল্লাহ রাসুল আমরা তো পূর্ববর্তী নবীদের উম্মতের মত হায়াত আমরা পায়নি। তাহলে আমরা কিভাবে পূর্ববর্তী ইম্মতের  মত সওয়াব করব সেই প্রেক্ষিতে হযরত মুহাম্মদ (সা: ) বলেছেন যে লাইলাতুল কদর হচ্ছে হাজার মাসে র ইবাদতের সমান তাই লাইলাতুল কদর যদি একবার কপালে আল্লাহ নসিব করে তাহলে হাজার মাসের ইবাদত এর আমল একদিকেই আল্লাহতালা তার খাতায় লিপিবদ্ধ করে দিবে।

লাইলাতুল কদর নিয়ে হাদিস

মিশকাত শরিফে উল্লেখ রয়েছে, হজরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, মহানবী (সা.) এরশাদ করেন, ‘যদি তোমরা কবরকে আলোকময় পেতে চাও তাহলে লাইলাতুল কদরে জাগ্রত থেকে ইবাদত কর। রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, যদি কেউ ঈমানের সঙ্গে সাওয়াব লাভের খাঁটি নিয়তে লাইলাতুল কদর কিয়ামুল্লাইল বা তাহাজ্জুদে অতিবাহিত করে তবে তার পূর্ববর্তী সকল গোনাহ ক্ষমা করা হবে। (বুখারি, হাদিস নং : ৬৭২)।

রাসূল (সা.) আরও বলেন, ‘রমজানের শেষ দশদিনে তোমরা কদরের রাত তালাশ কর। (মুসলিম, হাদিস নং: ১১৬৯)।

একদা হযরত উবায়দা (রা.) নবী করীম (সা.) কে লাইলাতুল কদরের রাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তখন নবীজী সেই সাহাবিকে বললেন রমজানের বেজোড় শেষের দশ দিনের রাতগুলোকে তালাশ করো। (বুখারি, হাদিস নং: ২০১৭)।

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যদি কেউ লাইলাতুল কদর খুঁজতে চায় তবে সে যেন তা রমজনের শেষ দশ রাত্রিতে খোঁজ করে। (মুসলিম, হাদিস নং : ৮২৩)। তাই ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ রমজানের রাতগুলোকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

লাইলাতুল কদরের রাত নিয়ে স্ট্যাটাস

লাইলাতুল কদর রাত হচ্ছে আল্লাহ তায়ালা একটি গুরুত্বপূর্ণ রাত  করে দিয়েছেন, যা হাজার মাসের ইবাদতের সমান।  আর এই পবিত্র লাইলাতুল কদর যার কপালে একবার নসিব হবে সে হাজার মাসের সওয়াব একদিনই আল্লাহ তায়ালা তার আমলের খাতায় লিপীবদ্ধ করে দিবে । আর এই লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব নিয়ে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে থাকে আর তাই আমরা লাইলাতুল কদরের রাত নিয়ে সেরা কিছু স্ট্যাটাস তুলে ধরেছি এই আর্টিকেল।

  • আমি সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যে এই রাতটি সমস্ত মুসলমান এবং আমাদের হৃদয়ের ভূগোলের অধীনস্থদের জন্য অনেক কল্যাণ বয়ে আনবে। লায়লাতুল কদর মুবারক।
  • এই রাত্রিতে তোমরা কোরআন তেলাওয়াত নফল নামাজ জিকির বেশি বেশি করতে থাকো।
  • আল্লাহ দোয়া কবুল করবেন। আমি প্রার্থনা করি যে আপনার দোয়া কবুল হবে এবং দোয়া হবে। আমি কামনা করি যে এই রাতে তিনি যখন মানুষকে ক্ষমা করবেন, আপনি তাদের একজন হতে পারেন। লাইলাতুল কদর মুবারক।
  • শবে কদর বিশেষভাবে দোয়া কবুল হয়ে থাকে, তাই এড়াতে বেশি করে দোয়া করা চাই।
  • হে রব তুমিতো ক্ষমাশীল শবে কদরের রাত্রি তে তুমি আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দাও।

লাইলাতুল কদরের রাত নিয়ে উক্তি

নিচে তা দেওয়া হলো —

যদি সারা বছরের মধ্যে কদরের রাত হয়, তবে তা পাওয়ার জন্য আমি সারা বছর রাতের নামাজে দাঁড়িয়ে থাকতাম। তাহলে আপনি কি মনে করেন মাত্র দশ রাতের জন্য কি করা উচিত? – ইবনুল কাইয়িম বলেন

যদি কেউ এ বছরের লাইল তুল কদর মিস করে, সে এক হাজার মাসের ইবাদাত মিস করে! আর কে জানে এটাই হতে পারে শেষ রমজান

আয়েশা বর্ণনা করেছেন: রমজানের শেষ দশ দিন শুরু হওয়ার সাথে সাথে, নবী (সাঃ) তার কোমরের বেল্ট শক্ত করতেন (অর্থাৎ কঠোর পরিশ্রম করতেন) এবং সারা রাত নামাজ পড়তেন এবং তার পরিবারকে নামাজের জন্য জাগিয়ে রাখতেন। [বুখারী]

একদা হযরত উবায়দা (রা.) নবী করীম (সা.) কে লাইলাতুল কদরের রাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তখন নবীজী সেই সাহাবিকে বললেন রমজানের বেজোড় শেষের দশ দিনের রাতগুলোকে তালাশ করো। (বুখারি, হাদিস নং: ২০১৭)

আয়েশা বর্ণনা করেছেন: রমজানের শেষ দশ দিন শুরু হওয়ার সাথে সাথে, নবী (সাঃ) তার কোমরের বেল্ট শক্ত করতেন (অর্থাৎ কঠোর পরিশ্রম করতেন) এবং সারা রাত নামাজ পড়তেন এবং তার পরিবারকে নামাজের জন্য জাগিয়ে রাখতেন। [বুখারী]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *